পাসপোর্ট নিয়ে আর নয় টেনসন : নিজের পাসপোর্ট নিজেই করুন। : online bd passport 

এটা বলার আগে বলতে চাই পাসপোর্ট বানানোর পুরো ব্যাপারটা ঠান্ডা মাথায় হ্যান্ডেল করতে হবে। তাহলে বিষয়টাকে আর জটিল মনে হবে না।
১। প্রথমে তোমার স্থায়ী ঠিকানার নিকটস্থ সোনালী অথবা প্রিমিয়ার ব্যাংকে পাসপোর্ট এর টাকা জমা দাও ৩৪৫০টাকা। তারা তোমাকে একটা রশিদ দিবে। নিয়ে বাসায় চলে আসো।
bangladesh-passport-bigstock-940×470২। http://www.passport.gov.bd

bangladesh-passport-bigstock-940×470২। www.passport.gov.bd

 তে গিয়ে সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ ভাবে ম্যাণ্ডাটরি ফিল্ডগুলা পূরণ করো। একটা ফিল্ডে তোমার টাকা জমা দেয়া ব্যাংকের নাম, শাখা আর রশিদ নং চাইবে। ব্যাংক থেকে যে রশিদ দিয়েছিল তাতে উপরে রশিদ নং লেখা আছে। দেখে ফিলআপ করো।
৩। সঠিকভাবে MRP এপ্লিকেশন ফিলআপ করা হয়ে গেলে বায়োমেট্রিক রিকগনাইজেশন (হাতের আগুলের ছাপ+ ছবি) এর জন্য আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার জন্য একটা ডেট দেয়া হবে।
৪। ওই ডেটে সশরীরে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে হাজির হয়ে সব প্রসিডিউর কমপ্লিট করা লাগবে।
৫। বায়োমেট্রিক রিকগনাইজেশন এর ঠিক এক মাস পরে পাসপোর্ট হাতে পাওয়া যাবে। তবে ইমারজেন্সি পাসপোর্ট এর বেলায় সময় টা কমে ৭দিনে আসে। ইমারজেন্সির ক্ষেত্রেও সেইম প্রসিডিউর তবে টাকা লাগবে ৫০০০/- (সম্ভবত)
৬। পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর ভিসার জন্য ই-টোকেন নিতে হবে। ই-টোকেন হচ্ছে এম্বাসি ফেইস করার জন্য এপয়েন্টমেন্ট ম্যাটেরিয়াল। ই-টোকেন নেয়ার ১৫-৩০দিনের মধ্যে এম্বাসি ফেইস করতে হবে।
সাথে যে কাগজপত্র লাগবেঃ
a) ব্যাংক স্টেইটমেন্ট (বাবার/নিজের ব্যাংক একাউন্টের স্টেইটমেন্ট, অন্ততপক্ষে ১৫০০০টাকা থাকতে হবে)

b) স্টুডেন্ট আইডি কার্ড এর ফটোকপি

c) বাসার কারেন্ট বিল, পানির বিল, টেলিফোন বিল
সেদিন অথবা এর পরেরদিন ভিসা হাতে পাওয়া যাবে। ভিসা করানো যাবে বাংলাদেশের যেকোন IVAC (Indian Visa Application Centre) থেকে।

পাসপোর্টের অনলাইন ইনকোয়ারী (পাসপোর্টের সত্যতা নিশ্চিত করুন)
পাসপোর্ট করা নিয়ে আমাদের অনেকেরই অনেক সমস্যা এবং বিভিন্ন ঝামেলায় পড়তে হয়…….
তার উপর পাসপোর্ট তৈরী হয়েছে কিনা বা পাসপোর্ট বৈধ কিনা তাও একটা টেনশন…
কারন পাসপোর্ট অফিসে নিজে নিজে সবাই পাসপোর্ট নাও করতে পারেন……. অনেকেই আছেন বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে কাজটি করিয়ে থাকেন………………..তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব পাসপোর্টের অনলাইন ইনকোয়ারী সম্পর্কে।
যারা যারা নতুন পাসপোর্ট আবেদন করেছেন তারা এখন থেকে অনলাইনেই দেখতে পারবেন আপনার পাসপোর্টটি তৈরী হয়েছে কি না।
প্রথমে আপনাকে নিচের ঠিকানায় যেতে হবে:

http://www.immi.gov.bd/passport_verify.php

http://www.immi.gov.bd/passport_verify.php   

তার পর নিচের মত একটি পেইজ আসবে।

Passport Office Slip No: এর যায়গায় আপনার পাসপোর্ট আবেদনের রিসিট কপি

এবং Date of Birth: এর যায়গায় আপনার জন্ম তারিখটি দিন।
তার পর Submit এ ক্লিক করুন। আপনার তথ্যটি পেয়ে যাবেন সাথে সাথেই।

Advertisements

ছেলেদের বয়স সন্ধিঃকালের খুটি নাটি:A to Z Male puberty :ছেলেদের বয়স সন্ধিঃকালে কি কি পরির্বতন ঘটে। 

শৈশব পার হয়ে কৈশোর, এরপর যুবক। এরই মাঝখানে একটা সময়কে বলা হয় বয়ঃসন্ধিকাল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১০ থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত বয়সটি হচ্ছে বয়ঃসন্ধিকাল। এই সময়েই একটি ছেলে বা মেয়ের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মানসিক…….

শৈশব পার হয়ে কৈশোর, এরপর যুবক। এরই মাঝখানে একটা সময়কে বলা হয় বয়ঃসন্ধিকাল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১০ থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত বয়সটি হচ্ছে বয়ঃসন্ধিকাল। এই সময়েই একটি ছেলে বা মেয়ের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মানসিক, শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন ঘটে। একদিকে তারা বড় হতে থাকে, আবার শৈশবকেও পুরোপুরি ছেড়ে আসতে পারে না। তাদের মধ্যে এ সময় কিছুটা মানসিক টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে।

ছেলেদের ক্ষেত্রে এ সময় তারা নিজেকে স্বাধীন ভাবতে শুরু করে, বাবা-মায়ের খবরদারি একেবারেই পছন্দ করে না, নিজে নিজে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে চায় এবং কখনো বাবা-মায়ের সঙ্গে রূঢ় আচরণও করে ফেলে। বাবা-মায়েরা এই বয়সের ছেলেকে কখনো বলেন ‘বড়’, আবার কখনো বলেন ‘ছোট’। দশম শ্রেণীতে পড়া ছেলেটি বন্ধুদের সঙ্গে ঢাকার বাইরে দুদিনের জন্য বেড়াতে যাওয়ার অনুমতি চাইলে বাবা-মা বলেন, ‘তুমি এখনো অনেক ছোট, বড় হলে তারপর যাবে।’ আবার এই ছেলেটিকেই পরদিন বাবা বাজার করতে দিলে ছেলেটি বলে, ‘আমি পারব না।’ তখন বাবা উত্তর দেন, ‘তুমি এত বড় হয়েছ, আর এই সামান্য কাজটি করতে পারবে না?’ ছেলেটি পড়ে যায় পরিচয়ের সংকটে—সে কি ‘বড়’ না ‘ছোট’? 

ছোটদের সঙ্গেও সে মিশতে পারে না, আবার বড়দের আসরেও সে সাদরে গৃহীত হয় না। নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে অনেক কিছু সে এ বয়সে জানতে পারে এবং শৈশবের ধারণার সঙ্গে তা না মিললে মনের মধ্যে জন্ম নেয় দ্বন্দ্ব। নিজের শারীরিক পরিবর্তনও তাকে কিছুটা অন্তর্মুখী করে তোলে। তার ভেতর তৈরি হয় বয়ঃসন্ধিকালের সংকট বা অ্যাডোলেসেন্ট ক্রাইসিস। এই সংকট মোকাবিলায় বাবা-মায়ের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকালের এই সংকটে বাবা-মায়ের কিছু বিষয় করা উচিত।
বুঝতে হবে সন্তানের ভাষা

১৫ বছরের ছেলেটি কী চাচ্ছে তা বাবা-মায়ের বুঝে নিতে হবে। বেশির ভাগ সময় সে মুখ ফুটে তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা প্রকাশ করে না। আচার-আচরণ, দেহভঙ্গি ও প্রতিক্রিয়া দেখে চাওয়া বা না-চাওয়া আঁচ করে নিতে হবে।
দিতে হবে গুণগত সময়

কেবল কেজো কথা নয়, বরং দৈনন্দিন বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে প্রতিদিন কিছুটা সময় কথা বলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে এই কথোপকথন যেন উপদেশে পর্যবসিত না হয়।
আবেগকে গুরুত্ব দিন

আপনার কাছে গুরুত্বহীন এমন ছোট একটি বিষয় নিয়ে সে উচ্ছ্বসিত হতে পারে। তাকে নিরুৎসাহিত করবেন না, তার আবেগ ও উচ্ছ্বাসকে মূল্য দিন। কোনো কারণে তার মন খারাপ হলে অযথা ‘কী হয়েছে, কী হয়েছে…’ বলে তাকে ব্যস্ত করে না তুলে আবেগ প্রকাশের সুযোগ দিন। কোনো মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হলে রাগারাগি না করে বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করুন।
গোপন নজরদারি এড়িয়ে চলুন

ছেলের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। তার ওপর গোপন নজরদারি করবেন না, তার অনুপস্থিতিতে তার মুঠোফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা ডায়েরি ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। তবে এ বয়সে সে মাদক গ্রহণসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে যেতে পারে, বিষয়গুলো নিয়ে তার সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করুন।
যৌক্তিক চাহিদার মূল্য দিন

সন্তানের চাওয়া-পাওয়ার মূল্য দিন, তবে সেটি হতে হবে যৌক্তিক। আপনার আর্থিক ও সামাজিক সংগতিকে অতিক্রম করতে পারে, এমন চাহিদা মেটাতে গেলে তার প্রভাব পরবর্তী সময়ে মোটেই ভালো হবে না।
লুকোছাপা করবেন না

লুকোছাপা না করে সব ব্যাপারে তার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন।
সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দিন

পারিবারিক বিষয় থেকে শুরু করে ছোটখাটো কেনাকাটায় তার পছন্দের মূল্য দিন ও তাকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করে দিন।
বন্ধুদের গুরুত্ব দিন

তার বন্ধুদের গুরুত্ব দিন, কোনো অসৎ বন্ধু থাকলে বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলুন। ছেলের বন্ধুদের প্রতিপক্ষ হবেন না। তবে সে কী করছে, কোথায় যাচ্ছে, কাদের সঙ্গে চলছে তা জানুন, মাঝে মাঝে তার বন্ধুদের বাসায় দাওয়াত দিন।
রুটিন

তাকে একটি রুটিন তৈরি করে চলতে উৎসাহিত করুন।
শুনুন-বুঝুন-করুন

মন দিয়ে সন্তানের কথা শুনুন, হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও তাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন। তার অনুভূতিগুলোকে বুঝুন এবং সে অনুযায়ী আপনার আচরণ পরিবর্তন করুন।
বাবা-মা একসঙ্গে

সন্তানের যেকোনো বিষয়ে বাবা-মা একমত হয়ে সিদ্ধান্ত নিন। মতানৈক্য থাকলেও সন্তানের স্বার্থে তা এড়িয়ে চলুন।
প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ

সবকিছুর পরও যদি মনে হয় সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, তার আচরণ হয়ে উঠছে অস্বাভাবিক, তবে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
একজন কিশোর যখন তার বয়ঃসন্ধিকাল পার হতে থাকে তখন সে মুখোমুখি হয় বিচিত্র সব শারিরীক ও মানসিক অনুভূতির। এ এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা। শরীর ভর্তি শিহরণ নিয়ে তার দিন কাটে, রাত কাটে। প্রথম প্রথম অনুভূতি বলে সে ভেঙে পড়তে থাকে, চুরমার হতে থাকে ভেতরে ভেতরে। বদলে যেতে থাকে তার চেনা পৃথিবী। সে চলে যেতে থাকে অন্য এক পৃথিবীতে যেখানে শরীর এক চমৎকার বাতাবি লেবুর বন। যার গন্ধে বাতাস বুনে দেয় পারলৌকিক মেঘের স্পর্শ। হঠাৎ এই পরিবর্তনে সে ভয়ও পায় প্রচণ্ড। কী এক মধুর অসুখ হলো তার! -ভাবে সে।

১। মেজাজ রুক্ষ্ম হয়ে যায়:
এই সময় নিজেকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে কিশোর। না জানি কী জটিল রোগে সে ভুগছে! – এই ভেবে অস্থির হয়ে পড়ায় এবং নিজেকে লোকাতে গিয়ে তার মেজাজ হয়ে যায় রুক্ষ্ম। অল্পতেই রেগে যায় সে। তার ক্ষ্যাপাটে আচরণ সবারই চোখে পড়ে।

২। তার চিন্তা জুড়ে নারী এক নতুন মাত্রা নিয়ে আসে:
এতো দিন দেখে আসা নারীকে সে নতুন ভাবে দেখতে শেখে। তার চোখের সামনে উন্মোচিত হয় নতুন রূপ। শুধু জননী নয়, নয় সহোদরা; আরও এক নতুন সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা সে অনুভব করতে থাকে। তার অসীম ভালোলাগার পৃথিবী বদলে যেতে থাকে অন্য কোথাও। সে খুব গভীর ভাবে জানতে চায় নারীকে।

৩। পৃথিবীর নিষিদ্ধ জগত তার চিন্তাকে টেনে নেয়:
যেহেতু আমাদের সমাজে প্রেম-কাম ও নারী সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিষিদ্ধ। তাই তার চিন্তা ছুটে যায় সেই সব নিষিদ্ধতার দিকে। সে নিজেকে জানতে চায়। জানতে চায় নিজের শরীরে সব কিছু। তার চিন্তা জুড়ে তখন শরীর আর অনুভূতির শহর।

৪। ঘুমাতে চায় প্রচুর:
যেহেতু ঘুমের মধ্যেই প্রথম সে অনুভব করে তার শরীর আসলে কমলালেবুর শহর। তাই সে প্রচুর ঘুমাতে চায়। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সে দখল নিতে চায় রাজকন্যার। সে ভেসে বেড়াতে চায় সাত আসমান। আর যেহেতু হরমোন পরিবর্তন হতে থাকে। তাই সে অবসাদ বোধ করে অনেক। ফলে ঘুম পায় তার আর খুব ঘুমাতে ইচ্ছা করে।

৫। বিচ্যুত আচরণ:
যখন সে তার শরীর ও মনের পরিবর্তন সামলাতে পারে না। যেহেতু আমাদের সমাজ বলে তার এই শরীর ও মনকে অবদমন করতে। এবং সে বোঝে উঠতে পারে না কী করতে হবে। কাউকে বলার মতো সে খুঁজে পায় না। তার বয়স সবাইকে তার শত্রু করে দেয়। ফলে কিছু বিচ্যুত আচরণ সে করে ফেলে। হয়তো অকারণেই মিথ্যা বলে। কাউকে আঘাত করতে ভালো লাগার মতো ব্যাপারও তার ভেতর ঘটতে পারে।

৬। পাপ বোধ:
তার মনে হতে থাকে সে অপরাধী। সে হয়তো শয়তান হয়ে গেছে কিংবা শয়তান আছর করেছে তার উপর। না হলে কেন এমন হবে তার! তার কেন নারীর শরীর নিয়ে ভাবতে ভালো লাগবে? তার চিন্তা ও চাহিদা কেন পাল্টে যাবে এভাবে? এক ধরণের পাপ বোধে সে ভোগে। খুঁজে পরিত্রানের পথ। না পেয়ে হতাশ হয়।

৭। প্রেমে পড়তে চায়:
যেহেতু সে বুঝে ফেলে সে একা সম্পূর্ণ নয়। তার সম্পূর্ণতা অন্য কোথাও। তাই সে প্রেমে পড়তে চায়। সব কিছু উজার করে দিয়ে কাউকে সে ভালোবাসতে চায়। কেউ কেউ নিজের অজান্তেই ভয়ানক ভাবে প্রেমে পড়ে যায়। তারপর চুপচাপ কাঁদে অসহায়ের মতো। সেই প্রেম প্রকাশের সাহস থাকে না অনেকের। অনেকেই আবার হয়ে ওঠে চরম সাহসী। প্রেমের জন্য করতে পারে না এমন কোন কাজই সে করা থেকে বিরত থাকে না।
কিশোরের বয়ঃসন্ধিকাল খুবই জটিল একটা সময় তার জন্য। অভিভাবক হিসেবে তখন আমাদের উচতি তাকে মানসিক পরিষেবা দেয়া। তার মানসিক অস্থিরতা থেকে উঠে আসার জন্য আমাদের সহযোগিতা করা উচিত।

মেধাবী সন্তানের বাবা-মা হতে হলে কি করতে হবে:how to get intellect child:সন্তান মেধাবী হবে কিভাবে

 সব মায়েরাই প্রত্যাশা থাকে, তার সন্তান যেন বুদ্ধিমান ও মেধাবী হয়। আর এটা অনেকটাই নির্ভর করে মায়ের সঠিক খাদ্যাভ্যাসের ওপর।

যদি কোনও মা পুষ্টিকর খাবার না খান যেমন : ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন ডি, লোহা ইত্যাদি তাহলে তার শরীরে কিছুটা ঘাটতি থেকে যাবে। আর এর প্রভাব পড়বে সন্তানের ওপর।
মায়ের সঠিক খাবারের অভাবে শিশুর মানসিক বিকাশে সমস্যা দেখা দিতে পারে। গর্ভাবস্থায় মা কী খায় সেটা সন্তানের শারীরিক ও মানসিক গঠনে বড় ভূমিকা পালন করে।
গর্ভাবস্থায় আপনি এমন কিছু খাবার খেতে পারেন যা আপনার বাচ্চার আইকিউ (ইন্টেলিজেন্স কোশেন্ট) বাড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার সন্তান যখন জন্মগ্রহণ করে ওর মস্তিষ্কের মাপ যে কোনও পূর্ণ বয়স্ক মানুষের ২৫% হয়। ২ বছর বয়সে সেটা বেড়ে হয় ৭৫% যা স্বাভাবিক মস্তিষ্ক। প্রথম  দুই বছর সন্তানের জন্য দরকার মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ।
তাহলে দেরি কেন? আসুন জেনে নিই গর্ভাবস্থায় কী কী খাবার খেলে আপনি বুদ্ধিমান সন্তানের জন্মদিতে পারবেন।
মাছ : স্যালমন, টুনা, ম্যাকারেল ইত্যাদি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এ্যাসিড সমৃদ্ধ।এগুলো বাচ্চার মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য খুবই জরুরি।একটা গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েরা গর্ভাবস্থায় সপ্তাহে দুবারের বেশি মাছ খায় তাদের সন্তানের বুদ্ধি বা আইকিউ বেশি হয়।
ডিম : ডিম এ্যামিনো এ্যসিড কোলিন সমৃদ্ধ,যাতে মস্তিষ্কের গঠন ভাল হয় ও স্মরণশক্তি উন্নতি হয়।গর্ভবতী নারীদের দিনে অন্তত দুটো করে ডিম খাওয়া উচিত যার থেকে কোলিনের প্রয়োজনের অর্ধেক পাওয়া যায়। ডিমে থাকা প্রোটিন ও লোহা জন্মের সময় ওজন বাড়িয়ে দেয়।
দই : সন্তানের স্নায়ু কোষগুলো গঠনের জন্য আপনার শরীর প্রচুর পরিশ্রম করে। এ জন্য আপনার বাড়তি কিছু প্রোটিন লাগবে। আপনাকে প্রোটিনযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে যেমন : দই। দইয়ে ক্যালসিয়াম আছে যেটা গর্ভাবস্থায় লাগে।
আয়রন : আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যা আপনার সন্তানকে বুদ্ধিমান হতে সাহায্য।এই খাবারগুলো গর্ভাবস্থায় অবশ্যই খাওয়া উচিত। আয়রন আপনার গর্ভের সন্তানের কাছে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শে আপনার আয়রনের সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত।
ব্লুবেরি : ব্লুবেরির মত ফল, আর্টিচোক (ডাটা গাছ), টমেটো ও লাল বিন্সে এ্যান্টি ওক্সিডেন্ট থাকে। তাই গর্ভাবস্থায়  এই ফলগুলো আপনার সন্তানের মস্তিষ্কের টিস্যুকে রক্ষা করে ও বিকাশে সাহায্য করে।
ভিটামিন-ডি : এটা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য খুব দরকার। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েদের ভিটামিনের মাত্রা প্রয়োজনের চেয়ে কম থাকে তাদের বাচ্চার মস্তিষ্ক দুর্বল হয়। ডিম, চিজ, বিফ, লিভার ইত্যাদি খাবারে ভিটামিন ডি  পাওয়া যায়। এছাড়া ভিটামিন-ডি এর ভাণ্ডার সূর্য্যের আলো তো আছেই।
আয়োডিন :  আয়োডিনের অভাব, বিশেষ করে গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহে সন্তানের আইকিউ কম করে দিতে পারে। গর্ভাবস্থায় আয়োডিনযুক্ত  লবণ খান। এছাড়া সামুদ্রিক মাছ, শামুক, ডিম, দই ইত্যাদি খেতে পারেন।
সবুজ শাক-সবজী  যেমন : পালং শাক, ডাল ইত্যাদি ফলিক এ্যাসিড সরবরাহ করে।এছাড়াও ফলিক এ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন বি-১২- এর সঙ্গে খাওয়া উচিত।
মস্তিষ্কের কোষ গঠনে ফলিক এ্যাসিড খুব প্রয়োজনীয়।একটা গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা গর্ভবস্থায় সন্তান প্রসবের চার সপ্তাহ আগে ও আট সপ্তাহ পর অবধি ফলিক এ্যাসিড নিয়ে থাকে তাদের ৪০ শতাংশ অটিস্টিক সন্তান জন্ম দেয়ার আশংকা কম থাকে।

স্তন পরীক্ষা :Breast Examination :মেয়েদের breast examination :স্তন ক্যানসার 

যত দ্রুত স্তন ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়, তত দ্রুত তার ভয়াবহতার মাত্রা কমিয়ে আনা সম্ভব।
স্তন ক্যান্সারের লক্ষণগুলো
আপনার স্তনে যদি কোনো ধরনের অস্বস্তি বোধ করেন কিংবা অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
সতর্ক হবেন যখন দেখবেন:
    স্তনের ভেতর কোন কিছু জমাট বেঁধে আছে বলে মনে হচ্ছে, কোনো মাংসপিণ্ডের মতো যা আগে ছিল না। এটা ছোট কিংবা বড় হতে পারে, অনেক সময় বাইরে থেকে দেখা যায় না কিন্তু ভেতরে অনুভূত হয়। বিশেষ করে একটি স্তনে এমন হলে।

    স্তনের চামড়ায় কোনো ধরনের পরিবর্তন দেখা দিলে, যেমন, কুঁচকে যাওয়া, গর্ত হয়ে যাওয়া, কালশিটে পড়া/ ঘা হওয়া, স্তনের রঙ বদলে যাওয়া, লালচে র্যাশ হওয়া, স্তনের চামড়া ওঠা ইত্যাদি।

    স্তনবৃন্তে পরিবর্তন আসা, যেমন, বৃন্ত ভেতরে ঢুকে যাওয়া, শক্ত হয়ে যাওয়া, ঘাঁ হওয়া কিংবা অস্বাভাবিক লালচে রঙ দেখা দেওয়া।

    স্তনবৃন্ত থেকে কোনো ধরনের তরল নিঃসৃত হওয়া

    স্তনে ক্রমাগত ব্যাথা, টনটনে ব্যাথা
কীভাবে নিজে পরীক্ষা করবেনঃ

স্তন পরীক্ষা করার অনেকগুলো উপায় আছে। নিয়মিত পরীক্ষা করাটাকে রুটিন বানিয়ে ফেলুন, তাহলে আর ভুল হবে না। প্রত্যেক মাসে অন্তত এক বার, কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করে পরীক্ষা করুন নিজের স্তন ঠিক আছে কী না।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে পরীক্ষা
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হাত দুটো পাশে রাখুন, ভাল করে লক্ষ্য করুন স্তনের চামড়ায় কোন পরিবর্তন কিংবা আকারে কোনো বদল এসেছে কী না। এবার দুই হাত কোমরে রেখে বুক সামনের দিকে চিতিয়ে দেখুন স্তনে কোনো ধরনের দাগ, ঘাঁ কিংবা গর্ত আছে কী না। এবার হাত দুটো উঁচু করে আরো একবার পরীক্ষা করুন।

স্নানের সময় পরীক্ষা
একটি হাত মাথায় রাখুন। আরেকটি হাতের আঙুল দিয়ে কলার বোনের কয়েক ইঞ্চি নিচ থেকে একদম বগল পর্যন্ত চেপে দেখুন, পুরো স্তনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চক্রাকারে পরীক্ষা করতে থাকুন, প্রথমে হালকাভাবে, পরে একটু চাপ দিয়ে স্তনের টিস্যুগুলো পরীক্ষা করুন। এভাবে একদম স্তনবৃন্ত পর্যন্ত পরীক্ষা করতে হবে। দুই স্তনেই পরীক্ষা করুন।

শুয়ে শুয়ে পরীক্ষা
বিছানায় শুয়ে ডান দিকের কাঁধের ওপর একটি বালিশ রাখুন। ডান হাত মাথার পেছনে দিন। এবার বাম হাতের আঙুল দিয়ে চক্রাকারে ডান পাশের স্তন পুরোটা পরীক্ষা করুন। স্তনবৃন্ত চেপে ধরে নিশ্চিত হয়ে নিন কোনো তরল নিঃসৃত হচ্ছে কী না কিংবা কোনো ধরনের অস্বাভাবিক ব্যাপারে আছে কী না। একইভাবে এবার বাম পাশের স্তন পরীক্ষা করুন।
ডাক্তারি পরীক্ষা কখন প্রয়োজনঃ
যাদের পরিবারে স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস রয়েছে, তাদের হাসপাতালে স্তন পরীক্ষা অর্থাৎ ম্যামোগ্রাম করিয়ে নেয়া উচিৎ। এক্ষেত্রে ঠিক কোন সময়ে পরীক্ষা করবেন, তা বলে দেবেন আপনার চিকিৎসক।
এছাড়া যারা স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা নিয়েছেন, তাদেরও নিয়মিত ম্যামোগ্রাম করানো জরুরী। চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে করিয়ে নিন।      

শেষ মুহূর্তের Residency preparations -Don’t miss

আমরা অনেকেই  residency preparations   

 নিচ্ছি। অনেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকি, ফলে নিজেকে যাচাই করতে পারিনা।
এখন আমি আপনাদের এমন একটা website এর কথা যেখানে আপনি ঘরে বসে
নিজেকে যাচাই করে নিতে পারেন
http://www.pgmedicalstudy.com

www.pgmedicalstudy.com

online residency model test

এখানে আপনি subjects wise model test paben
so  একবার click  করে ঘুরে আসতে পারেন।
http://www.pgmedicalstudy.com

www.pgmedicalstudy.com

online residency model test

 নিউজটা ভাল লাগলে like nd share দিবেন please

Residency (MD/MS) Questions Bank 

residency xm এর ইতিহাস থেকে দেখা যায়, প্রায় ৪০% questions কোন না কোন ভাবে বিগত বছর গুলো questions থেকে আসে। বাজারে বিভিন্ন company questions bank পাওয়া যায়। কিন্ত এই  busy life a এই গুলো পড়ার সময় কই। তাই এই ঝামেলা থেকে মুক্তি চান, তাদের জন্য আমাদের ছোট্ট প্রয়াস, আপনি চাইলে পড়তে পারবে, exm দিতে পারবে। সব কিছু হবে online (project of digital Bangladesh)

so দেরি না করে আজই login করুন

Residency Questions Bank
MD/MS preparation
ভাল লাগলে লাইক ও শেয়ার দিতে ভুলবেন না।

ডাক্তার লিখে ঔষুধ আর রোগীরা খায় মুড়ি

এভাবে চলতে থকলে আমাদের চিকিৎসা সেবার ভবিষৎ অন্ধকার। আপনারা লক্ষ করে দেখবেন খুব কম সংখ্যক ডাক্তার আছেন যারা আজে বাজে কম্পানির ঔষুধ লিখেন। তবে maximum ডাক্তার টপ ২০ কম্পানির ভিতর ঔষুধ লিখেন। কিন্তু রোগীরা কি খায়?  মুড়ি? হ্যাঁ অনেকটা তাই।কারন আমরা শিক্ষিত হয়েছি কিন্তু স্বশিক্ষিত  হতে পারি নাই। ঔষুদের দোকানী যা বুঝায় তাই আমরা বুঝি। ৫০০ টাকা ভিজিত দিয়া প্রফেসর ডাক্তার দেখাইয়া বাড়ির পাশের হাতুরে ডাক্তার দিয়া প্রেসক্রিপশন মূল্যায়ন করায়। এই হলো আমরা। এই ভাবে আজে বাজে কম্পানির ঔষুধ খতে থাকলে ভবিষ্য সামান্য জ্বরে ও মানুষ মরবে। তাই শিক্ষিত সমাজের প্রতি অনুরোধ আপনারা নিজেরা সচেতন হোন, সমাজকে সচেতন করুন। আজে বাজে কম্পানির ঔষুধ খাওয়া বন্ধ করুন, ডাক্তার যেই ঔষুধ সেটা মিলিয়ে নিন। মনে রাখবেন ডাক্তার আপনাকে এমন কোন ঔষুধ লিখবে না যাতে আপনার ক্ষতি হয় কারন আপনি ডাক্তারের রুজি রোজকার। আমার মনে হয় কেউ ইচ্ছে করে নিজের পেটে লাথি দিবে না

পরিকল্পনা করে জুনিয়র ডাক্তারদের কেরানী বানানো হচ্ছে – তবে জাতি কে মাশুল দিতে হবে

আজকে লক্ষ করলে দেখবেন যে জুনিয়র ডাক্তারা ক্লিনিক এ ডিউটি করে তাদের ওটিতে assist করতে দেওয়া হয়মা নানান ওযু হাতে, outdoor এর কাজ গুলো ওটি বয়কে দিয়ে করানো হয়। শুধু ডিউটি ডাক্তারকে রাখা হয় investigation  বৈধ করার জন্য।আর ছুটির কাগজ লেখানোর জন্য। এতে একটা মহল ও সিনিয়র ডাক্তার জরিত। এতে সাময়িক লাভবান হলেও ভবিষৎ খুব খারাপ।এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা একদিন হুমকির সম্মুখীন হবে। আর এই দায়ভার জাতিকেই নিতে হবে।

সকল চাকরির খোঁজ খবর – অনলাইনে চকরি -online job 

চাকরির খোঁজ জানতে এখন আর প্রতিষ্ঠানের দোরগোড়ায় ঢুঁ মারতে হয় না। ঘরে বসে অনলাইনেই মেলে দরকারি সব তথ্য। বিভিন্ন খাতের সব চাকরির বিজ্ঞপ্তি তো বটেই, আবেদনের উপায়, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিংসহ নানা সেবা দিয়ে যাচ্ছে অনলাইনে চাকরি খোঁজার বিভিন্ন সাইট। প্রতিষ্ঠিত প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই পত্রিকার পাশাপাশি এসব জব সাইটে চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে থাকে। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির খবর পাওয়া যায় এ সাইটগুলোতে। এসব চাকরির ওয়েবসাইটে ঢুকে নিজের জীবনবৃত্তান্ত জমা রাখা যায়। এই জীবনবৃত্তান্ত দেখেই অনেক প্রতিষ্ঠান সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকে। জব অ্যালার্ট সেবা চালু থাকলে ই-মেইল বা এসএমএসেও জানিয়ে দেওয়া হয় চাকরির খবর। জেনে নিন কয়েকটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা-

http://www.bdjobs.com

http://www.jobsa1.com

http://www.prothom alojobs.com

http://www.jobsbd.com

http://www.alljobsbd.com

http://www.deshijob.com

http://www.bdgateway.org

http://www.jobsbangladesh.com
মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশের চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ পেশাজীবীদের নিয়োগ দিচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের চাকরির খোঁজ মিলবে বেশ কিছু ওয়েবসাইটে। জেনে নিন এ রকম কয়েকটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা-

http://www.monster.com

http://www.jobstreet.com

http://www.gulftalent.com

বিদেশে উচ্চ শিক্ষার সকল তথ্য একসাথে -all information together for higher education 

বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে চান অনেকেই। এর জন্য ভালো প্রস্তুতি লাগে। আইইএলটিএস বা টোফেল করা, প্রয়োজনীয় ভাষা শেখা, দরকারি কাগজপত্র জোগাড়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন, স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন ছাড়াও আছে নানা ঝক্কি। কিভাবে সামলাবেন? জানাচ্ছেন হাবিবুর রহমান তারেক
এইচএসসির পর বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ভিনদেশে পাড়ি জমান অনেক শিক্ষার্থী। পড়াশোনার অনেক সুযোগ আছে বাইরের দেশগুলোতে। দরকারি তথ্য না জানার কারণে যোগ্যতা থাকার পরও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন না অনেকে। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরোনোর পর মেলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ। তবে সব তথ্য জানা থাকলে তা সামাল দেওয়া কঠিন নয়।
যোগ্যতা থাকলে সিদ্ধান্ত এখনই

যুক্তরাজ্যের লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির পরিচালক মার্ক বিকারটন জানান, যোগ্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয় আগের সব পরীক্ষার ফলাফল, আইইএলটিএস ও আর্থিক সামর্থয যাচাইয়ের মাধ্যমে। ব্যাচেলর পর্যায়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সাধারণত উচ্চ মাধ্যমিকে সিজিপিএ ৩.০ এবং আইইএলটিএসে ৫.৫ থাকতে হয়। তবে মাস্টার্সের ক্ষেত্রে ৬.০ থাকতে হবে আইইএলটিএসে।

এইচএসসি পাস করে অনেকেই বৃত্তি নিয়ে বিভিন্ন দেশে পড়াশোনা করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার কেইয়ং হি ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে দেশে ফিরেছেন জুয়েল পারভেজ। তিনি বলেন, ‘কোরিয়া ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পেয়ে দেশটিতে পড়তে যাই। কোরিয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্টের (এনআইইডি) বৃত্তি নিয়েও অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী দেশটিতে পড়াশোনা করছে। আর্থিক সামর্থয থাকলে দেশটিতে বৃত্তি ছাড়াও আছে উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ।’
মাউস ক্লিকে দরকারি তথ্য

বিদেশে ভর্তির বেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞরা। ভুল তথ্য জেনে নামসর্বস্ব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে উচ্চশিক্ষা তো অনিশ্চিত হবেই, সেই সঙ্গে অর্থ আর সময়ও নষ্ট হবে। সংশি্লষ্ট দেশের শিক্ষাবিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইট কিংবা কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেই দরকারি সব তথ্য পাবেন। যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চান সেটির মান কেমন, দেশটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির র্যাংকিং কত, তা জেনেই ভর্তির সদ্ধিান্ত নিতে হবে। কেমন খরচ হবে, কোনো আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে কি না, খণ্ডকালীন কাজের অনুমতি মিলবে কি না-সব জেনে তবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দরকারি সব তথ্যই পাওয়া যাবে অনলাইনে। পূর্ণাঙ্গ তথ্য জেনে নিজের যোগ্যতা ও আর্থিক সামর্থয অনুযায়ী বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরুর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে উচ্চশিক্ষাবিষয়ক সাইটগুলোতে।
দরকারি কাগজপত্র প্রস্তুত তো?

বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেশন শুরুর কয়েক মাস আগে থেকেই ভর্তি আবেদনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞরা। দরকারি কাগজপত্র প্রস্তুত থাকায় মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে (ইউটিএম) কাঙ্ক্ষিত সেশনে ভর্তি হতে পেরেছিলেন সোহেল রানা। কাগজপত্র প্রস্তুত না থাকায় পরের সেশনে ভর্তি হতে হয়েছে তাঁরই কয়েকজন বন্ধুকে। তিনি জানান, বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করতে ফরমের সঙ্গে সাধারণত পাসপোর্ট আকারের ছবি, সব পরীক্ষার সনদ, নম্বরপত্রের ফটোকপি (নোটারি করা কপি পাঠাতে হয় অনেক ক্ষেত্রে), সুপারিশপত্র, পারিবারিক আয়ের তথ্য, পাসপোর্ট, মেডিক্যাল সনদ ইত্যাদি যুক্ত করতে হয়।
আবেদনের আগে ভাষা দক্ষতা

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি আবেদনের অন্যতম একটি শর্ত হচ্ছে ‘ভাষা দক্ষতা’। ভাষা দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য প্রচলিত আছে আইইএলটিএস, টোফেল, স্যাট, জিম্যাট প্রভৃতি পরীক্ষা। এসব পরীক্ষার মধ্যে প্রার্থীর কোনটি দরকার, কত স্কোর লাগবে তা নির্ভর করে দেশ ও কোর্সের ওপর। বেশির ভাগ দেশে আইইএলটিএস চাওয়া হয়, থাকতে হয় ৫.৫ থেকে ৬ পয়েন্ট। তবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ কিছু কিছু দেশে টোফেল (আইবিটি/পিবিটি) গ্রহণযোগ্য। আইবিটিতে সাধারণত ৯০-১০৫ অথবা পিবিটিতে থাকতে হয় ৫০০-৬২০ স্কোর। এ বিষয়ে আগে খোঁজ নিয়েই তবে আইইএলটিএস বা টোফেল করা উচিত। ভাষা দক্ষতার এ পরীক্ষায় এমন সময় অংশ নেওয়া উচিত, যাতে ফল খারাপ হলেও পরে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যায়। এসব পরীক্ষার ব্যাপারে তথ্য পাওয়া যাবে বাংলাদেশে অবস্থিত ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আমেরিকান সেন্টারে।
এবার চাই অফার লেটার

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় দেশভেদে সাধারণত বছরে দুই থেকে তিনবার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারেন। ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু করতে হয় সেশন শুরু হওয়ার দুই থেকে তিন মাস আগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন ফরম সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফিসহ আবেদন করতে হয়।

শিক্ষার্থীদের পাঠানো আবেদনপত্র ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর যোগ্য শিক্ষার্থীদের ঠিকানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভর্তি শাখা’ ডাকযোগে ভর্তির অনুমতিপত্র বা ‘অফার লেটার’ পাঠিয়ে থাকে। একাডেমিক পরীক্ষায় ফল ভালো হলে ভর্তির অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্যান্য যোগ্যতা বা কাগজপত্রের গুরুত্বও কম নয়। ইংরেজি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষায় ভালো স্কোর থাকলে ভর্তি সহজ হয়ে যায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে।
স্টুডেন্ট ভিসার খুঁটিনাটি

বিদেশি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেলেই যে দেশটিতে পড়ার সুযোগ মিলবে তা কিন্তু নয়। স্টুডেন্ট ভিসা না পেলে সব পরিশ্রমই বৃথা যাবে। অফার লেটার পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসার জন্য আবেদন করতে হয় সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে। বিভিন্ন দেশ স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দেয়। তবে আবেদনপ্রক্রিয়া প্রায় একই। ভিসা পেতে কিছু দেশে সাক্ষাত্কারের মুখোমুখি হতে হয়। তবে বেশির ভাগ দেশেই এখন সাক্ষাত্কারের প্রয়োজন হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘অফার লেটার’ পাঠালেই কোনো কোনো দেশের স্টুডেন্ট ভিসা প্রায় নিশ্চিত। আবার কোনো দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পাওয়া সহজ হলেও ভিসা পাওয়া কঠিন।

কিছু বিষয়ে নিশ্চিত হয়েই সংশি্লষ্ট দেশের দূতাবাস বা কর্তৃপক্ষ ভিসা দেয়। ‘আবেদনকারী পড়াশোনা শেষে নিজ দেশে ফিরে আসবে কি না’-এমন প্রশ্নের জবাবে সদুত্তর দিতে না পারলে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বিভিন্ন উচ্চশিক্ষাবিষয়ক সাইটের পরামর্শ, অবৈধ বা ভুয়া স্পন্সর দেখানো, সঠিক তথ্য না দেওয়া বা আবেদনপত্রে ভুল তথ্য থাকার কারণে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান বা বাতিল হতে পারে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কোনোটি বাদ পড়া, একাডেমিক ফল ভালো না হওয়া, অফার লেটার পাঠানো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান ভালো না থাকা, কাগজপত্র ইংরেজির পরিবর্তে অন্য কোনো ভাষায় থাকা, সনদসহ জমা দেওয়া বিভিন্ন কাগজপত্রের অনুলিপি ঠিক না থাকার কারণেও এমনটি হতে পারে।
বৃত্তি নিয়েও আছে পড়ার সুযোগ

প্রতিবছরই অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার বৃত্তি নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। ভালো ফলাফল থাকলে খুব সহজেই মেলে এসব শিক্ষাবৃত্তি।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তুলনামূলক বেশি বৃত্তির সুযোগ মেলে জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও সুইডেনে। কোরিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী প্রফেসর ফান্ডের মাধ্যমে বৃত্তি পেয়ে দেশটিতে পড়াশোনা করছেন।

বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা বৃত্তির ঘোষণা দেয়। বিভিন্ন দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট কিংবা দূতাবাসের ওয়েবসাইটে খোঁজ নিলে ঘরে বসেই মিলতে পারে বৃত্তির তথ্য। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটও (www.moedu.gov.bd) নিয়মিত বিভিন্ন দেশের বৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
দরকারি কিছু সাইট

বাংলাদেশ থেকে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি দেওয়া শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের গন্তব্য যুক্তরাজ্য। দেশটিতে ভর্তি, পড়াশোনার তথ্য পাওয়া যাবে এসব সাইটে-

http://www.educationuk.org

http://www.ucas.com

http://www.ukba.homeoffice.gov.uk,

http://ukinbangladesh.fco.gov.uk/bn/visas,

http://www.ukcisa.org.uk, http://www.britishcouncil.org/bangladesh

ইউরোপের অন্য দেশগুলোতেও পড়তে যায় অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। এসব দেশে উচ্চশিক্ষার তথ্য পাওয়া যাবে নিচের সাইটগুলোতে-

http://www.studyineurope.eu

http://www.scholarshipportal.eu

http://eacea.ec.europa.eu/index_en.php

http://ec.europa.eu/education/study-in-europe

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার তথ্য পাওয়া যাবে দেশটির সরকারি এই সাইটে- http://www.studyinaustralia.gov.au

কানাডায় উচ্চশিক্ষার তথ্য মিলবে সাইট দুটিতে

http://www.cic.gc.ca/english/study

http://www.cic.gc.ca/english/information/applications/student.asp

অনলাইনে একটু চোখ রাখলেই অন্যান্য দেশের তথ্যের খোঁজ মিলবে সহজে, তবে সঠিক তথ্য পাবেন সরকারি সাইটগুলোতে।